নিজস্ব প্রতিবেদক | বুধবার, ১৩ মে ২০২৬ | 15 বার পঠিত | প্রিন্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের স্টার্টআপ খাতে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হলো প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পরিচালিত প্রথম ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্ল্যাটফর্ম চালুর মাধ্যমে। ‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি পিএলসি (বিএসআইসি)’ নামের এই উদ্যোগে প্রাথমিকভাবে ৪২৫ কোটি টাকার মূলধন গঠন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্ল্যাটফর্মের উদ্বোধন করা হয়। এতে দেশের ৩৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংক যৌথভাবে অংশীদার হিসেবে যুক্ত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলো তাদের বার্ষিক নিট মুনাফার একটি অংশ পর্যায়ক্রমে এই তহবিলে যুক্ত করবে। ফলে এটি এককালীন নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি ও সম্প্রসারণযোগ্য বিনিয়োগ কাঠামো হিসেবে পরিচালিত হবে।
বিএসআইসির মাধ্যমে সিড, লেট-সিড এবং সিরিজ—এই তিন ধাপে স্টার্টআপগুলোতে বিনিয়োগ করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিগত কাঠামোর অধীনে পুরো কার্যক্রম পরিচালিত হবে, যাতে স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রক তদারকি নিশ্চিত করা যায়।
অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এটি দেশের অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তার মতে, স্টার্টআপ খাতে এ ধরনের বিনিয়োগ উদ্ভাবনী অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং ভবিষ্যৎ উদ্যোক্তাদের আস্থা বৃদ্ধি করবে।
তিনি আরও জানান, এই বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না এবং আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেন, দেশের অর্থনীতির পরবর্তী ধাপে অগ্রসর হতে হলে উদ্ভাবননির্ভর প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন। বিএসআইসি সেই লক্ষ্যেই একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ, যা দেশীয় মূলধনকে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেবে।
তবে তিনি উল্লেখ করেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে এই বিনিয়োগের সুফল সর্বস্তরে পৌঁছায়।
অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, ২০১০ সাল থেকে দেশে স্টার্টআপ খাতে ৪৫০টির বেশি চুক্তির মাধ্যমে ১০০ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগ এসেছে। তবে এর মধ্যে দেশীয় মূলধনের অংশ এখনো ৭ শতাংশের কম, যা বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
Posted ৪:২৫ অপরাহ্ণ | বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
sharebazar24 | sajed khan
.
.